২০শে জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, বৃহস্পতিবার

বরিশাল জেলা ট্রাক মালিক সমিতির বিরুদ্ধে নিয়মিত চাঁদাবাজির অভিযোগ।

আপডেট: মে ১৮, ২০২০

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

বরিশাল জেলা ট্রাক মালিক সমিতির বিরুদ্ধে নিয়মিত চাঁদাবাজির অভিযোগ।ট্রাক মালিক সমিতির একজন নেতার নাম ভাঙ্গিয়ে নিয়মিত বরিশালের বিভিন্ন স্থান থেকে জোর পূর্বক চাঁদা উত্তোলন করিয়াআসছে।সুত্রে জানাযায়,বরিশাল জেলায় ডিস্ট্রিক ট্রাক, লোকাল ট্রাক ও মিনি ট্রাক মিলে প্রায় ৩হাজার ৫শত টি ট্রাক রয়েছে।ট্রাক থেকে জোর পূর্বক মালিক সমিতি ভর্তি বাবদ ৩হাজার থেকে ৪ হাজারটাকা আদায় করে।একটি গোপন সুত্রে জানাযায়,মালিক সমিতি রশিদ দিয়ে ট্রাক প্রতি-প্রতিমাসে ৫শত টাকা জোর পূর্বক চাঁদা উত্তোলন করিয়া আসছে।সেই টাকাদিয়ে মালিক সমিতির কয়েক জন বাড়ী-গাড়ীসহ অনেক অর্থ সম্পদের মালিক হয়েছেন।

এবিষয়ে সাধারন মালিকরা বরিশাল জেলা ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নে অভিযোগ করলে তারা পুলিশ প্রশাসনের কাছে বাস্তব চিত্র তুলে ধরেন।তাহা আমরা পাঠকের জন্য তুলে ধরলাম।
০১। পুলিশের নাম ভাঙ্গিয়ে জেলা ট্রাক সমিতির নামে রশিদ ছাপিয়ে প্রতি মাসে প্রতি ট্রাক গাড়ী থেকে ১৫০০/- টাকা চাঁদা তোলেন যার প্রমান অনুলিপি দেওয়া হইল।
০২। বিভিন্ন ̄স্থানে চাঁদার টাকা উত্তোলন করে যেমন-কাউনিয়া বিসিক শিল্প নগরী থেকে মোঃ মাসুদ রানা, পিতাঃ মোঃআনিচ গাজী, ১নং ওয়ার্ড, বিসিসি তাহাকে দিয়া টাকা উত্তোলন করে যাহার মোবাইল নং-০১৭৪৬-২৭৬৭৭৮।
০৩। চাঁদমারী কেডিসি ঘাট থেকে নিয়মিত চাঁদাবাজি করে মোস্তফা যাহার মোবাইল নং-০১৯৬৫-৯৬৯০৯২, সে পুলিশ ভিট
আদায় করে।
০৪। নথুল্লাবাদ স্থান ও কাশীপুর জোড়া পাম্প দুলাল ক্যাশিয়ার।
০৫। পোর্ট রোড নামক ̄স্থানে গাড়ী ভর্তির নামে মালিকগনের কাছ থেকে মোটা অংকের চাঁদা আদায় করে।
০৬। বিভিন্ন জেলা থেকে যে সব পন্যবাহী ট্রাক আসে তাদেরকে বরিশাল মালিক সমিতির সেটিং করা অসাধু
ব্যক্তিদের দিয়ে চাপ প্রয়োগ করে গাড়ী ভর্তি করে ১৫০০/- টাকা হইতে ২০০০/- টাকা চাঁদা আদায় করে যাহাগোপনে তদন্ত করিলে প্রমান পাওয়া যাবে।বরিশাল মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোঃ ইউনুস বেপারী গত ইং১১/০৬/২০১৫ তারিখ বরিশাল জেলা ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।সেখানে অনিয়ম করেহিসাব না দিয়ে চলে যান।পরবর্তীতে তিনি বরিশাল জেলা ট্রাক মালিক সমিতিতে যোগদেন এবং চাঁদাবাজি শুরুকরেন।এই মালিক সমিতির সভাপতি মোঃ আনোয়ার হোসেন সিকদার এর অসুস্থ্যতার সুযোগ নিয়ে বিভিন্ন জায়গাথেকে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন এবং নিতেছেন।বিগত দিনে তিনি সোহান বিক্সস এর মালিক সোহরাব হোসেন রব মিয়ার লোকাল ট্রাক চালক ছিলেন যার গাড়ী নং-ঢাকা-ট-১৫,বর্তমানে তিনি ১২ টি ডিস্ট্রিক ট্রাকের মালিক এবং কোটি কোটি টাকার সম্পদ বানিয়েছেন ও রাতারাতি এত টাকার মালিক হয়েছেন ।

বরিশাল জেলা ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মোঃ আজাদ হোসেন কালাম মোল্লা বলেন,বরিশাল জেলা ট্রাক মালিক সমিতি নিয়মিত চাঁদাবাজি করে আসছে এতে অনেক সাধারন ট্রাক মালিকরা গাড়ি বন্ধ করে দিতে চায় এমন হলে আমার ট্রাক শ্রমিকরা বেকার হয়ে পরবে তাই আমি সহ আমার ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের সকল নেতৃবৃন্দ এর বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে ট্রাক শ্রমিকদের কথা চিন্তা করেই।বরিশাল মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোঃ ইউনুস বেপারীসহ তাদের সাথে এবিসয় কথা বলা জন্য অফিসে গিয়ে তাদের কাউকে খুজে পাওয়া যায়নি।

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন
Website Design and Developed By Engineer BD Network